Thursday , January 18 2018
Home / আইন-আদালত / পুনঃতদন্ত দাবি খালেদার আইনজীবীর

পুনঃতদন্ত দাবি খালেদার আইনজীবীর

 

স্টাফ রিপোর্টার |
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চেয়ে আদালতের কাছে মামলাটির পুনঃতদন্ত চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সপ্তম দিনে আদালতের কাছে এ আবেদন আসে। গতকাল টাকার উৎস সম্পর্কে কুয়েত অ্যাম্বাসির দেয়া একটি চিঠির কপি আদালতের কাছে উপস্থাপন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। গতকাল শুনানিতে মামলার বেশ কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্য খণ্ডন করেন খালেদা জিয়ার এ আইনজীবী। একই সঙ্গে সাক্ষী হারুনুর রশীদ (এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা), মাজেদ আলী, জগলুল পাশাসহ সাতজন সাক্ষীর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরাই ভুয়া নথিপত্র দাখিল করেছে। যে নথিগুলো বানোয়াট ও সৃজন করা।

যুক্তিতর্ক শেষে আগামী ১০ ও ১১ই জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন ঢাকার ৫ম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এর আগে বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে বিকাল সোয়া ৩টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন তিনি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে চলছে। গতকাল মধ্যাহ্ন বিরতির পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী আদালতকে বলেন, এই তহবিল পাবলিক তহবিল কিনা, সেটা আগে নির্ণয় করতে হবে। এই টাকার উৎস নির্ণয় করা জরুরি। এর আগে তিনি সাবেক রাষ্ট্রদূত আবদুস সাত্তারের জবানবন্দি ও জেরার অংশ পড়ে শোনান। আদালতকে তিনি জানান, বাংলাদেশে কুয়েত দূতাবাস থেকে যে চিঠি দেয়া হয়েছে, সেখানে বলা আছে- কুয়েতের আমীর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টকেই টাকা দিয়েছেন। এ চিঠি রেকর্ডের একটি অংশ। প্রসিকিউশন টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক পথে না হেঁটে অন্যপথে হেঁটেছেন। তারা টাকার উৎস সম্পর্কে কোনো তদন্ত করেননি। তদন্ত প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য নেই। এ সময় আদালতের বিচারক মো. আকতারুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীর কাছে কুয়েত অ্যাম্বাসির সে চিঠির ব্যাপারে জানতে চান। আদালত খালেদা জিয়ার আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন- যে চিঠি জমা দিয়েছেন সেটা ফটোকপি, মূল কপি কোথায়? জবাবে এজে মোহাম্মদ আলী জানান, মূল কপি আছে। প্রয়োজনে জমা দেয়া হবে। আদালত প্রশ্ন করেন- চিঠিতে দলীয় প্রধান (খালেদা জিয়া), দলের মহাসচিবকে (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) এড্রেস না করে আপনাকে (এজে মোহাম্মদ আলী) কেন এড্রেস করা হয়েছে? জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম সে জন্য তারা আমাকে এড্রেস করে চিঠি দিয়েছে? আদালত প্রশ্ন করেন- আপনি কুয়েত অ্যাম্বাসিতে যে চিঠি দিয়েছেন সেটা কোথায়? একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে আপনি নিশ্চয়ই সে চিঠিতে স্মারক নম্বর বা দলীয় স্মারক নম্বর দিয়ে পাঠিয়েছেন? তাহলে সে চিঠির কপি কোথায় বা স্মারক নম্বর কত? জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি মূল চিঠি পাঠিয়েছি? চিঠির কপি আদালতে জমা দেয়া হয়নি। আমার কাছে আছে, প্রয়োজনে জমা দেয়া হবে। আদালত প্রশ্ন করেন- কুয়েত অ্যাম্বাসির চিঠিতে স্বাক্ষর থাকলেও কার স্বাক্ষর তার নাম নেই, স্বাক্ষরকারীর নাম কি? জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, সাধারণত এ ধরনের চিঠি রাষ্ট্রদূত স্বাক্ষর করেন। আদালত বলেন, প্রয়োজনে রাষ্ট্রদূত ছাড়াও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও এ ধরনের চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। তাহলে স্বাক্ষরকারীর নাম নেই কেন? জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা চিঠি জালিয়াতির মতো এতবড় ঝুঁকি নেব কেন? এ চিঠির ব্যাপারে কোনো সন্দেহ থাকলে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ চিঠির স্বাক্ষর কার তা নিশ্চয়ই ভেরিফাই করতে পারবে। আদালত প্রশ্ন করেন- কুয়েতের আমীর কত টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দান করেছিলেন? কোন টাকার অঙ্ক তো চিঠিতে উল্লেখ নেই। তাহলে কুয়েত অ্যাম্বাসির কাছে আপনি কি জানতে চেয়েছেন? জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, এ টাকার উৎস কুয়েতের আমীর কিনা সেটাই জানতে চেয়েছিলাম। শুনানির এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতের উদ্দেশে বলেন, চিঠির ভাষ্যমতে- এ টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য এসেছে। কিন্তু মামলার কাগজপত্র অনুযায়ী টাকা আসার পর অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। যে টাকার দুর্নীতি নিয়ে এ মামলা চিঠির ভাষ্যমতে সেটা প্রমাণ করে না। ট্রাস্ট গঠনের পরে এ টাকা এসেছে বলে যেহেতু চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে সেহেতু এটা অন্য কোনো টাকা হতে পারে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর যুক্তির জবাবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী বলেন, টাকার উৎস প্রমাণের দায়িত্ব আমাদের নয়, প্রসিকিউশনের। তাহলে প্রসিকিউশন প্রমাণ করুক, এ ফান্ড কোথা থেকে এসেছে। তাছাড়া টাকা আসার পরে নয়, আগেই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ বলার চেষ্টা করছে- এটা গভর্মেন্ট ফান্ড। কিন্তু এটা তো গভর্মেন্ট ফান্ড নয়। এ টাকা স্টেট টু স্টেট আসেনি। এটা ডোনেশন। যুক্তিতর্কের এ পর্যায়ে আদালত ফের প্রশ্ন করেন- ফান্ড যে ফরেন ডোনেশন তাহলে সেটার কাগজপত্র কোথায়? জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, এ চিঠিই সে প্রমাণ। এর চেয়ে বেটার প্রমাণের দায়িত্ব প্রসিকিউশনের। এ সময় আদালত বলেন, ঠিক আছে- ওরা (প্রসিকিউশন) মামলা প্রমাণ করতে পারেনি। আপনারা বেনিফিট অব ডাউট নেবেন। প্রশ্ন হচ্ছে- কুয়েতের আমিরের দেয়া টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য যদি আসে তাহলে সে টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছিল নাকি অন্য কোনো অ্যাকাউন্টে? এ চিঠি কনসিডারেশন করলে কত টাকা এসেছে, টাকা কোন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে ইত্যাদি পরিষ্কার থাকতে হবে। উত্তরে এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, টাকা জমা হয়েছে ৫৪১৬ নম্বর অ্যাকাউন্টে। এ অ্যাকাউন্টে অন্য কোনো লেনদেন হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট ফান্ড হলে সেখানে আরো টাকার লেনদেন হতো, অডিট হতো ইত্যাদি। এটা একটি বিশেষ অ্যাকাউন্ট, বিশেষ লেনদেন। এ অ্যাকাউন্ট নিয়ে প্রসিকিউশন ফ্যাব্রিকেটেড করেছেন। তারা একটি কাগজও দেখাননি যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী (খালেদা জিয়া) এটার অনুমোদন দিয়েছেন। এটা নীতিমালার ফান্ড নয়, তাই নীতিমালাতেই আসছে না। মোহাম্মদ আলী বলেন, টাকার উৎস প্রমাণ করতে পারছে না প্রসিকিউশন। এছাড়া দুটি ট্রাস্ট একই দিনে একই সময়ে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। তাহলে একটি মামলায় এলো না, অন্যটি এলো কেন? সেখানে ট্রাস্টি হিসেবে জিয়া পরিবারের সদস্যদের নাম আছে এ জন্য কি? এখন প্রসিকিউশনকে দেখাতে হবে ট্রাস্ট করতে খালেদা জিয়া কোন সই-স্বাক্ষর দিয়েছেন। মামলায় যেভাবে বলা হয়েছে- তিনি (খালেদা জিয়া) জিম্মাদার বা ভারপ্রাপ্ত। এভাবে ডাউট কেন চার্জে? কোনো একটি সুনির্দিষ্ট করতে হবে। এ সময় আদালতের উদ্দেশে মোহাম্মদ আলী বলেন, এ মামলায় একটি অনুসন্ধানহীন এরিয়া রয়ে গেছে। যুক্তিতর্কের এ পর্যায়ে আরেক আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান আদালতের উদ্দেশে বলেন, রেমিটেন্সের উৎস সম্পর্কে প্রসিকিউশন কোনো কৈফিয়ত দিতে পারেনি। আমরাই কৈফিয়ত দিয়েছি। তিনি পিডব্লিউ-১২’র বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দুইজন ব্যাংক কর্মকর্তা অ্যাকাউন্ট খোলা নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। তারা অপরাধ প্রমাণ করতে পারেননি। এ সময় আদালত প্রশ্ন করেন- মনে করুন, অ্যাকাউন্ট প্রমাণ করতে পারেনি প্রসিকিউশন। তাহলে বলেন, রেমিটেন্সটা কোন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে? উত্তরে এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে চাইছে এটা পাবলিক ফান্ড। কিন্তু এটা পাবলিক ফান্ড কিনা সেটা প্রসিকিউশনকে প্রমাণ করতে হবে। টাকা এসেছে, বণ্টন হয়েছে… সবই ঠিক আছে। কিন্তু এখানে খালেদা জিয়ার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ সময় আদালত বলেন, রায় তো আমাকেই দিতে হবে। এখানে ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে। সেটাকে বিবেচনায় নিতে হবে। তাহলে আমার জানার দরকার রয়েছে- টাকার উৎস কি, টাকার অংক কত, কোন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে এবং কুয়েত অ্যাম্বাসির এ চিঠির স্বাক্ষরকারীর নাম ইত্যাদি? এ সময় এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, এসব তথ্য পরিষ্কার করতে মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য ইতিপূর্বে খালেদা জিয়ার পক্ষে আবেদন করা হয়েছিল। আমরা আবেদন করেছিলাম। কুয়েত অ্যাম্বাসির যে চিঠি তা বিবেচনায় নেয়ার জন্যও আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম। তখন আদালত বলেছিলেন, যথাসময়ে এ বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আমরা মনে করি, এখন এ বিষয়টি বিবেচনা করার যথাযথ উপযুক্ত সময়। সেই সঙ্গে আমরা মনে করি, মামলাটি ন্যায়বিচারের স্বার্থে পুনঃতদন্ত করা প্রয়োজন।
এর আগে বিভিন্ন কার্য দিবসে খালেদার অন্য আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান ও খন্দকার মাহবুব হোসেন শুনানি করেন। শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, এটি একটি প্রাইভেট ফান্ড। এ টাকা আনার ব্যাপারে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান (প্রয়াত) উদ্যোক্তা ছিলেন। এই টাকা পরে দুই ভাগ হয়ে একটি জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাস্টে এবং অন্যটি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে চলে যায়। এখানে সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে খালেদা জিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি অ্যাকাউন্ট খোলেননি। অনুমোদনও দেননি। মওদুদ আহমদ বলেন, যেহেতু খালেদা জিয়া তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং এখানে প্রধানমন্ত্রী শব্দ এসেছে, তাই তারা (রাষ্ট্রপক্ষ) কতগুলো ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে জালিয়াতির মাধ্যমে এই ফান্ডকে পাবলিক ফান্ড বানানোর চেষ্টা করেছেন। প্রাইভেট ফান্ডকে পাবলিক ফান্ড বানানোর জন্যই তারা এই ছলচাতুরি, জাল-জালিয়াতি ও নথি সৃজন করেছেন। তিনি বলেন, এই টাকার ব্যাপারে জানাতে আমরা কুয়েত অ্যাম্বাসিকে অবহিত করেছিলাম। কুয়েত অ্যাম্বাসি থেকে এজে মোহাম্মদ আলীকে (খালেদা জিয়া) উদ্দেশ্য করে জানানো হলো যে এই টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে পাঠানো হয়েছিল। আদালতেও তা আমরা দাখিল করেছি। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, কুয়েত অ্যাম্বাসির যে কাগজ দাখিল করা হয়েছে তাতে কখন, কত টাকা দেয়া হয়েছে সেটি লেখা নেই। ১২ লাখ ৫৫ হাজার ইউএস ডলারের বিষয়েও কিছু লেখা নেই। আর এই টাকা যদি কুয়েতের আমীর দিয়ে থাকেন তাহলে টাকার বিষয়ে কাগজে তো কিছু লেখা থাকবে। কিন্তু এখানে কিছু লেখা নেই। আদালতও এ ব্যাপারে প্রশ্ন করেছেন। মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, তারা (আসামিপক্ষের আইনজীবীরা) বলছেন এটি না কি প্রাইভেট ফান্ড। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল নামে সোনালী ব্যাংকে যে হিসাব খোলা হয়েছিল তা কি খালেদা জিয়া জানতেন না?
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩রা জুলাই রমনা থানায় দুদক এ মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ই আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। ২০১৪ সালের ১৯শে মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। এ মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ২৬শে জানুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

Check Also

পলিন হত্যা মামলার মূল অভিযুক্তকে কেন বরখাস্ত নয়

 শাহীন মোল্লা: ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী শর্মিলা শাহরিন পলিন হত্যা মামলার মূল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *