Thursday , January 18 2018
Home / খেলাধুলা / দেশের স্বার্থে কথা বলবেন সাকিব

দেশের স্বার্থে কথা বলবেন সাকিব

 

স্পোর্টস ডেস্ক |

ক্রিকেটের নিয়ম-কানুন, আইন প্রণেতা এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সদস্য হয়েছেন বাংলাদেশের তারকা সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে গত অক্টোবরে এই কমিটিতে স্থান পান সাকিব। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির প্রথম সভা বসবে আগামী ৯ ও ১০ই জানুয়ারি। সভায় অংশ নিতে আগামী ৭ই জানুয়ারি ঢাকা ছাড়বেন সাকিব আল হাসান। গত অক্টোবরে এমসিসির ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটিতে যে চার নতুন মুখ যোগ হয়েছে, সাকিব তাদের অন্যতম। ১৪ সদস্যের কমিটিতে আগে থেকেই রয়েছেন মাইক গ্যাটিং, ভিন্স ফন ডার বাইল, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, রমিজ রাজা, জন স্টিভেনসন, কুমার সাঙ্গাকারা, সৌরভ গাঙ্গুলী, রডনি মার্শ, রিকি পন্টিং ও টিম মে।

এই কমিটির প্রধান হিসেবে সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইক ব্রিয়ারলির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পরই ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক মাইক গ্যাটিং নতুন সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ওই সময় সাকিবকে অভিবাদন জানিয়ে গ্যাটিং বলেছিলেন, কমিটিতে আসা প্রথম বাংলাদেশি সাকিব। বিশ্ব ক্রিকেটের সব সংস্করণেই তার ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, কমিটিতে এসে নতুন অন্যদের সঙ্গে তিনিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আর সভা সামনে রেখে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাকিব আল হাসান বলেন, দুই দিনের সভায় অনেক এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হবে।
এজেন্ডাগুলো আমি জানি। এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। এ নিয়ে একটু পড়াশোনার বিষয় আছে। একটু বোঝার ব্যাপার আছে। অপ্রস্তুত অবস্থায় যাওয়া ঠিক হবে না। টেস্ট ক্রিকেট নিয়েও অনেক কিছু আছে। সেখানে এসব নিয়ে আলোচনা হবে। এখানে প্রস্তাব করার কিছু নেই আসলে। এখানে এজেন্ডা ঠিক করা আছে ওইগুলোই আলোচনা করা হবে। যার মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটও থাকবে। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এমন কমিটিতে সুযোগ পেয়ে রোমাঞ্চিত সাকিব আল হাসান। তিনি বলেন, আমি রোমাঞ্চিত অবশ্যই। আমার কাছে মনে হয় এটা অনেক বড় সম্মাননা। পাশাপাশি দায়িত্বও। এর আগে যখন এই মিটিং হয়েছে তখন সেখানে বাংলাদেশের কেউ ছিল না। আমরা কী সুবিধা পাই কিংবা কী অসুবিধা মোকাবিলা করি এসব নিয়ে ওদের ধারণা কম থাকতো। যেগুলো আমি হয়তো তুলে ধরতে পারবো। আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশকে ফেভারিট ভাবছেন কোচ রিচার্ড হ্যালসাল। আর সাকিব বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। আমরা তো মনে করি আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনাই আছে। কিন্তু দুইটা দলই ভালো। কেউই খারাপ না। আর যেহেতু দুইটা দলই আমাদের খেলোয়াড় এবং কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো জানে তাই আমার মনে হয় সিরিজে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হবে। সিরিজে প্রধান কোচ ছাড়াই খেলবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সিরিজে শ্রীলঙ্কা দলের দায়িত্ব সামলাবেন বাংলাদেশের বিদায়ী প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। আর রিচার্ড হ্যালসাল মনে করেন, এতে আসন্ন সিরিজে বাংলাদেশ দলের দুই অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজাকে বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে হবে।
সাকিব বলেন, দলে আমাদের সবারই আলাদা আলাদা রোল আছে। আর সবাই সবার রোল সম্পর্কে খুবই ভালোভাবে অবগত। নিজের কাজটা যদি সবাই ঠিকভাবে করতে পারি তাহলে অবশ্যই আমরা সাফল্য পাবো। আর দলের অধিনায়ক সহঅধিনায়কের ওপর স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি দায়িত্ব থাকে। শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের সব খেলা হবে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। সিরিজে এখানে পিচের ধরন কেমন হবে? সাকিব বলেন, আসলে এখন বলা মুশফিল। পিচ কেমন হবে, আবহাওয়া কেমন থাকবে, এসব আসলে চিন্তার বিষয় হওয়া উচিত নয়। যেটা হবে প্রতিপক্ষ দুই দলের জন্য একই থাকবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা, ভালো খেলতে হবে। ভালো খেলতে পারলে প্রতিপক্ষ যেই থাক, কিংবা যে সুবিধাই পাক আসলে আমাদের সঙ্গে পারাটা কষ্ট হবে। আমাদের মনোযোগ থাকবে, যেন আমরা দল হিসেবে ভালো করতে পারি।

Check Also

পারিশ্রমিক নিয়ে ক্রিকেটারদের অসন্তোষ

স্পোর্টস রিপোর্টার: একটা বছর যায়, নতুন বছর আসে। সবক্ষেত্রের পেশাজীবীই আশা করেন তার পারিশ্রমিক বাড়বে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *