Thursday , January 18 2018
Home / নির্যাতন / রাজধানীতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

রাজধানীতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

  নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর পল্লবীর কালশীতে আসমা আক্তার রেবু (২৬) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরালয়ের লোকজনের বিরুদ্ধে। বুধবার মধ্যরাতে কালশীর ই-ব্লকের ২ নম্বর সড়কের ৭৮ নম্বর বাসায় বেধরক পিটুনিতে রক্তাক্ত হয় ওই নারী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, পিটিয়ে নয়, আত্মহত্যা করেছেন ওই গৃহবধু।এই ঘটনায় রেবুর স্বামী বুলবুল, শ্বশুর আব্দুল ছালেক ও ননদ লুবনাকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনা জানাজানি হলে নিহতের স্বামীর বাড়িঘর ঘেরাও করে ভেঙে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিহত গৃহবধু রেবুর স্বামী বুলবুল এর আগেও বিয়ে করেছিলেন। তবে সেই সংসার টেকেনি। অন্তঃসত্ত্বা রেবুর দেড় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে রেবুকে প্রায়ই মারধর করতেন তার শ্বশুরালয়ের লোকজন। বুধবার মধ্যরাতে শাশুড়ি ও ননদের সহযোগিতায় তার স্বামী বুলবুল রেবুকে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। যন্ত্রণায় রেবু চিৎকার করলে এলাকাবাসী এগিয়ে যায়। কিন্তু শ্বশুর-জামাই কেউই তখন গেট খুলে দেয়নি। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের অভিযোগ, রেবু ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেনি। পিটিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন।পল্লবী থানার ওসি দাদন ফকির জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই গৃহবধু আত্মহত্যা করেছেন। তবে তার প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর দাবি, তিনি হত্যাকা-ের শিকার। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি গর্ভবতী কি না এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বলা যাবে।এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর তুরাগ ইস্ট ওয়েস্ট মেডিক্যালের সামনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন জেসমিন আক্তার (৪৫) ও তার মেয়ে সাবা মণি (১২)। স্বজনদের আবেদনের পেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।তুরাগ থানার এসআই মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনার শিকার মা-মেয়ে আশুলিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় থাকতেন। বিকেলে মেয়ে সাবা মণিকে নিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট মেডিক্যালে অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি তাদের এক আত্মীয়কে দেখতে আসেন মা জেসমিন। মেডিক্যালের সামনে লেগুনা থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে একটি কাভার্ডভ্যান তাদের ধাক্কায় দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা গেলেও এর চালক পালিয়ে গেছে।

Check Also

ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে ৩ যুবকের জবানবন্দি

গাইবান্ধা:গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা এলাকার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তীমূলক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *