Wednesday , January 17 2018
Home / ঙ্ক্রাইম এক্সপ্রেস / চাকরি ফিরে পেতে আওয়ামী লীগে যোগদান !

চাকরি ফিরে পেতে আওয়ামী লীগে যোগদান !

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোরে আলোচিত জামাত নেতার ভাই ও বিএনপির সক্রিয় নেতা শহিদুল ইসলাম আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করে চাকরি ফিরে পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তানোরের মুন্ডুমালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৫ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সাময়িক বরখাস্ত হয়ে ছিলেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রের নির্দেশনা লঙ্ঘন ও বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে তার যোগদান বলে গুঞ্জন উঠেছে। এদিকে আওয়ামী লীগে যোগদানের বিনিময়ে শহিদুলের চাকরি ফিরে পাবার খবর সাধারণের মধ্যে জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০১১ সালের দিকে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৫ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কলেজ কমিটি তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। সম্প্রতি তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর পরে ফের চাকরি ফিরে পেয়েছেন। রাজশাহী জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও নায়েবে আমীর মাওলানা আমিনুল ইসলামের ছোট ভাই ও বিএনপির সক্রিয় কর্মী শহিদুল ইসলাম। মুন্ডুমালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী মতাদর্শী এক শিক্ষক বলেন, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে বরখাস্ত করার পর তাকে আমরা বলেছিলাম এমপি মহোদয়ের সঙ্গে বসে বিষয়টি ফয়সালা করতে। কিšত্ত তখন তিনি সার্টের কলার ঝুঁকিয়ে দম্ভক্তি প্রকাশ ও এমপি মহোদয়কে তাচ্ছিলতা করে বলে ছিলেন, আমি জামায়াত-বিএনপি পরিবারের সন্তান জীবন থাকতে আমাকে কেউ আওয়ামী লীগে যোগদান করাতে পারবে না। কিšত্ত যখন দেখছেন জামায়াত-বিএনপির সরকার সঠনের কোনো সম্ভব নাই, তখন তিনিই বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।
সূত্র জানায়, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় তৎকালিন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় মুণ্ডুমালা মহিলা কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। আর প্রতিষ্ঠার পর থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জামায়াত নেতার ভাই ও বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম । তিনি দায়িত্বপালন সময়ে তার বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারি নিয়োগসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এব্যাপারে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Check Also

চৌদ্দগ্রামের শাহ ফখরউদ্দিন সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট দুর্ঘটনার আশঙ্কা

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা : চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হিসেবে পরিচিত শাহ ফখরউদ্দিন সড়কের বেশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *