Monday , December 18 2017
Home / সম্পাদকীয় / নতুন বছর নিয়ে আসে নতুন প্রেরণা আর স্বপ্ন

নতুন বছর নিয়ে আসে নতুন প্রেরণা আর স্বপ্ন

কাল নামের বৃক্ষ থেকে খসে পড়ল আর একটি পাতা। বছরের শেষ সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে ঘোষিত হলো নতুন দিনের আগমনবার্তা।

পুরোনো সব জ্বরা-জঞ্জাল দুরে ঠেলে

কাল নামের বৃক্ষ থেকে খসে পড়ল আর একটি পাতা। বছরের শেষ সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে ঘোষিত হলো নতুন দিনের আগমনবার্তা। স্বাগত ২০১৬।

পুরোনো সব জ্বরা-জঞ্জাল দুরে ঠেলে নতুন বছর নিয়ে আসে নতুন প্রেরণা আর স্বপ্ন। তাই প্রাণের উচ্ছ্বাসে তাকে স্বাগত জানায় মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশে বিদায় নেয়া বছরটি তার হতাশার দীর্ঘশ্বাস ঠেলে দিয়েছে নতুন বছরে। গণতন্ত্র রক্ষায় সরকারের রণহুংকর আর বিরোধী দলের ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে শুরু হবে তার পথচলা।

বাংলা নামের ভূখণ্ডে সাধারণ মানুষের গণতন্ত্রের এই দীর্ঘশ্বাস যেন নিয়তি হয়ে গেছে। ১৯৪৭ পরবর্তী পাকিস্তান থেকে ২০১৫-এর বাংলাদেশ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সেটা ঘটেছে এ দেশের জীবনে। কেউ গণতন্ত্র উদ্ধারের দোহাই দিয়ে হরণ করেছে মানুষের অধিকার, কেউ স্বেচ্ছাচারী হয়েছে গণতন্ত্র রক্ষার দোহাই দিয়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিস্তৃত হয়েছে এই গণতান্ত্রিক ছলচাতুরীর মাত্রা আর পরিধি।

আমাদের দুর্ভাগ্য, গণতন্ত্রে উত্তরণের ২৫টি বছর, স্বাধীনতার চার দশকে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান চেতনা গণতন্ত্র লুণ্ঠন হয়েছে যেমন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারীর দলের হাতে, তেমনি ঘটেছে অমুক্তিযোদ্ধা সেনাশাসকের হাতে। বিদায়ী বছরে মানুষের গণতন্ত্রের প্রতি অবহেলা ঘটেছে নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অংশীদারের হাতে।

‘গণতন্ত্র’-এর ধ্বজা তুলে যে জজবা করে সরকার ও রাজনৈতিক দল, তা  স্বেচ্ছাচারের গায়ে রাঙতা মোড়ানো আর কিছুই নয়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠৗও তা-ই করেছিল। তখন ভিনজাতির গণতন্ত্রের মার খেয়েছে বাঙালি, এখন স্বজাতির মার খাচ্ছে বাংলাদেশী। এই গণতন্ত্রের আড়ালে ক্ষমতা ভোগ, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন,  আর তাদের নিপীড়নই প্রধান লক্ষ্য।

মহান একাত্তরের পর ১৯৯১ সালটি বাঙালির  গণতান্ত্রিক অধিকার অর্জনের বছর হলে, ২০১৫ সালটি গণতন্ত্র বিসর্জনের।

তবু আমরা আশায় বুক বাঁধি। হতাশার এই অমানিসা কেটে যাবে নতুন বছরে। নতুন সূর্য়ের আলোয় প্রাণ পাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের বোধ। দেশ ও জনগণের কল্যাণচিন্তা জাগ্রত হবে সরকার ও বিরোধী দলের নেতৃত্বের ম। তাই প্রাণের উচ্ছ্বাসে তাকে স্বাগত জানায় মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশে বিদায় নেয়া বছরটি তার হতাশার দীর্ঘশ্বাস ঠেলে দিয়েছে নতুন বছরে। গণতন্ত্র রক্ষায় সরকারের রণহুংকর আর বিরোধী দলের ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে শুরু হবে তার পথচলা।

বাংলা নামের ভূখণ্ডে সাধারণ মানুষের গণতন্ত্রের এই দীর্ঘশ্বাস যেন নিয়তি হয়ে গেছে। ১৯৪৭ পরবর্তী পাকিস্তান থেকে ২০১৫-এর বাংলাদেশ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সেটা ঘটেছে এ দেশের জীবনে। কেউ গণতন্ত্র উদ্ধারের দোহাই দিয়ে হরণ করেছে মানুষের অধিকার, কেউ স্বেচ্ছাচারী হয়েছে গণতন্ত্র রক্ষার দোহাই দিয়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিস্তৃত হয়েছে এই গণতান্ত্রিক ছলচাতুরীর মাত্রা আর পরিধি।

আমাদের দুর্ভাগ্য, গণতন্ত্রে উত্তরণের ২৫টি বছর, স্বাধীনতার চার দশকে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান চেতনা গণতন্ত্র লুণ্ঠন হয়েছে যেমন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারীর দলের হাতে, তেমনি ঘটেছে অমুক্তিযোদ্ধা সেনাশাসকের হাতে। বিদায়ী বছরে মানুষের গণতন্ত্রের প্রতি অবহেলা ঘটেছে নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অংশীদারের হাতে।

‘গণতন্ত্র’-এর ধ্বজা তুলে যে জজবা করে সরকার ও রাজনৈতিক দল, তা  স্বেচ্ছাচারের গায়ে রাঙতা মোড়ানো আর কিছুই নয়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠৗও তা-ই করেছিল। তখন ভিনজাতির গণতন্ত্রের মার খেয়েছে বাঙালি, এখন স্বজাতির মার খাচ্ছে বাংলাদেশী। এই গণতন্ত্রের আড়ালে ক্ষমতা ভোগ, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন,  আর তাদের নিপীড়নই প্রধান লক্ষ্য।

মহান একাত্তরের পর ১৯৯১ সালটি বাঙালির  গণতান্ত্রিক অধিকার অর্জনের বছর হলে, ২০১৫ সালটি গণতন্ত্র বিসর্জনের।

তবু আমরা আশায় বুক বাঁধি। হতাশার এই অমানিসা কেটে যাবে নতুন বছরে। নতুন সূর্য়ের আলোয় প্রাণ পাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের বোধ। দেশ ও জনগণের কল্যাণচিন্তা জাগ্রত হবে সরকার ও বিরোধী দলের নেতৃত্বের ম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *